![]() |
ক্ষোভ ও হতাশা থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করতে চাইছেন, এমন খবর তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সারা দেশে। |
ঢাকা:
ড. ইউনূস দেশের চলমান প্রতিবন্ধকতা, রাজনৈতিক অনৈক্য এবং রাষ্ট্রীয় অসহযোগিতার প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব পালনে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা তাঁর পদত্যাগ চাই না, চাই নির্বাচনের রোডম্যাপ।” বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য ইসলামপন্থী দলগুলো প্রধান উপদেষ্টাকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ জানাতে সাক্ষাৎ চাইছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতের পৃথক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে সেনাপ্রধানের বক্তব্য ও রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ অধ্যাপক ইউনূসের বিরক্তির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। বিএনপির একাংশের ধারণা, ইউনূসের পদত্যাগের খবর কৌশলগত একটি বার্তা হতে পারে।
জামায়াত, ইসলামি আন্দোলন, এনসিপি এবং অন্যান্য ইসলামপন্থী দলগুলো মনে করছে, ইউনূসের পদত্যাগে দেশে নতুন সংকট তৈরি হবে। তারা একমত যে, প্রধান উপদেষ্টাকে দায়িত্বে রেখে দ্রুত নির্বাচনের নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।
ইতিমধ্যে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বেড়েছে। তাঁরা জাতীয় ঐকমত্যের আহ্বান জানাচ্ছেন। গণসংহতি আন্দোলন, সিপিবি ও এবি পার্টিও একই দাবি তুলেছে।
আজকের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বক্তব্য দেন কি না, সেদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর রয়েছে।
Post a Comment